সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে নয় সব ওষুধ।
সরকারি হাপাতালে বিনামূল্যে নয় সব ওষুধ-
সরকারি হাসপাতাল থেকে নিখরচায় ওষুধ মিলবে, তবে এখনকার মতো সব নয়। নিখরচায় অস্ত্রোপচারের সামগ্রী মিলবে, তা-ও সব নয়। দামি ওষুধ বিভিন্ন ‘পাওয়ার’-এ মিলবে না। তালিকা থেকে অনেক অতি দামি ওষুধ ও ইঞ্জেকশন বাদ পড়বে। একই মলিকিউলের অনেক ধরনের ওষুধ মিলবে না। অর্থাৎ, বিকল্পের অবকাশ থাকছে না। ওষুধের তালিকা ‘জরুরি’ এবং ‘বিশেষ’— দু’ ভাগে ভাগ হবে। হাসপাতালের স্তর অনুযায়ী তা সরবরাহ করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছায় সরকারি হাসপাতালে ‘নিখরচায় চিকিৎসা’ করার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছিল সরকার, প্রায় পাঁচ বছর (২০১২তে নিখরচায় ওষুধ দেওয়া শুরু হয়েছিল রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে। ২০১৫ থেকে তা চালু হয় মেডিক্যাল কলেজগুলিতে) পরে তার খোলনলচে বদলাতে চলেছে স্বাস্থ্য দফতর। নবান্নের কর্তারা এখন তামিলনাড়ুর মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ওষুধ-নীতিকে মডেল করে এগোতে চাইছেন।
কেন এমন বদল?
স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্য, সরকার চরম অর্থসঙ্কটে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে প্রতিদিন কোটি-কোটি টাকার ওষুধ ও অস্ত্রোপচারের সামগ্রী নিখরচায় জোগান দিতে তারা নাস্তানাবুদ হচ্ছে। ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থাগুলির কাছে বিপুল অর্থ বাকি পড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্যানসার, ডায়াবেটিসের মতো রোগের দামি ওষুধের সরবরাহ তাতে ব্যাহত হচ্ছে। অথচ ‘ফ্রি চিকিৎসা’র টানে লাফিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তা ছাড়া সরকার বুঝতে পারছে, অনেক জায়গায় ওষুধের, বিশেষ করে দামি ওষুধের অপব্যবহার হচ্ছে। আবার, পর্যাপ্ত ওষুধ থাকা সত্ত্বেও ভাঁড়ার খালি দেখিয়ে নতুন করে ওষুধ চাওয়া হচ্ছে। এ ভাবে তো অনন্তকাল চলতে পারে না। তাই পুজোর ঠিক আগেই সরকারের ‘ফ্রি ড্রাগ নীতি’ আপাদমস্তক বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। এ জন্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন শতপথী, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্যকে কো-চেয়ারম্যান করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি হয়েছে। তাতে রয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র ঘোষ, ফার্মাকোলজির চিকিৎসক নীনা দাস, সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোর্সের দায়িত্বে থাকা অমিত হালদার। এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে শনিবার।
সরকারি হাসপাতাল থেকে নিখরচায় ওষুধ মিলবে, তবে এখনকার মতো সব নয়। নিখরচায় অস্ত্রোপচারের সামগ্রী মিলবে, তা-ও সব নয়। দামি ওষুধ বিভিন্ন ‘পাওয়ার’-এ মিলবে না। তালিকা থেকে অনেক অতি দামি ওষুধ ও ইঞ্জেকশন বাদ পড়বে। একই মলিকিউলের অনেক ধরনের ওষুধ মিলবে না। অর্থাৎ, বিকল্পের অবকাশ থাকছে না। ওষুধের তালিকা ‘জরুরি’ এবং ‘বিশেষ’— দু’ ভাগে ভাগ হবে। হাসপাতালের স্তর অনুযায়ী তা সরবরাহ করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছায় সরকারি হাসপাতালে ‘নিখরচায় চিকিৎসা’ করার যে প্রকল্প হাতে নিয়েছিল সরকার, প্রায় পাঁচ বছর (২০১২তে নিখরচায় ওষুধ দেওয়া শুরু হয়েছিল রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে। ২০১৫ থেকে তা চালু হয় মেডিক্যাল কলেজগুলিতে) পরে তার খোলনলচে বদলাতে চলেছে স্বাস্থ্য দফতর। নবান্নের কর্তারা এখন তামিলনাড়ুর মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ওষুধ-নীতিকে মডেল করে এগোতে চাইছেন।
কেন এমন বদল?
স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্য, সরকার চরম অর্থসঙ্কটে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে প্রতিদিন কোটি-কোটি টাকার ওষুধ ও অস্ত্রোপচারের সামগ্রী নিখরচায় জোগান দিতে তারা নাস্তানাবুদ হচ্ছে। ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থাগুলির কাছে বিপুল অর্থ বাকি পড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্যানসার, ডায়াবেটিসের মতো রোগের দামি ওষুধের সরবরাহ তাতে ব্যাহত হচ্ছে। অথচ ‘ফ্রি চিকিৎসা’র টানে লাফিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তা ছাড়া সরকার বুঝতে পারছে, অনেক জায়গায় ওষুধের, বিশেষ করে দামি ওষুধের অপব্যবহার হচ্ছে। আবার, পর্যাপ্ত ওষুধ থাকা সত্ত্বেও ভাঁড়ার খালি দেখিয়ে নতুন করে ওষুধ চাওয়া হচ্ছে। এ ভাবে তো অনন্তকাল চলতে পারে না। তাই পুজোর ঠিক আগেই সরকারের ‘ফ্রি ড্রাগ নীতি’ আপাদমস্তক বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। এ জন্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন শতপথী, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্যকে কো-চেয়ারম্যান করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি হয়েছে। তাতে রয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র ঘোষ, ফার্মাকোলজির চিকিৎসক নীনা দাস, সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোর্সের দায়িত্বে থাকা অমিত হালদার। এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে শনিবার।

Comments
Post a Comment
Our Whatsapp Broadcast-7890400176